শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ডেঙ্গুমুক্ত শ্রীবরদী গড়তে সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান কাংশা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী আলমগীর আকাশ সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শারদীয় দুর্গোৎসবে শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু বিগত ইন্টেরিম সরকার দেড় বছরে দেশের অনেক ক্ষতি করে গেছে: বিমান মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি। জমি দখলের অভিযোগ নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছন সেভেন রিংস সিমেন্টের উপদেষ্টা – এরশাদ আলী আজাদ। টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোজাম্মেল হক  টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোহাম্মদ হোসাইন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে মাঠে জামালপুর ৩৫ বিজিবির ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, মন্ডপ পরিদর্শন! জামালপুরের বকশীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটির বর্ণাঢ্য জাতীয় সম্মেলন: নেতৃত্বে মকিস মনসুর ও আশরাফ মিয়া

তাড়াশে বেপরোয়া গরু চোর চক্র: জাহিদুল ইসলামের গোয়াল থেকে ৩ গরু চুরি, আতঙ্কে খামারিরা

নিউজ রুমঃ / ৮৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক (তাড়াশ):

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মালশিন গ্রামে ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে গরু চোর চক্র। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারির দাবি সত্ত্বেও থামছে না চুরি, ডাকাতি ও মাদকের বিস্তার। খোদ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, যার তাজা প্রমাণ মিলেছে গত শনিবার রাতে। ওই রাতে মালশিন গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলামের বাড়ি থেকে সংঘবদ্ধ চোর চক্র তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার গভীর রাতে মালশিন গ্রামের খামারি মো. জাহিদুল ইসলামের গোয়ালঘর ভেঙে মূল্যবান তিনটি গরু চুরি করে চোরেরা। পালিয়ে যাওয়ার সময় রাতের অন্ধকারে একটি গরু রাস্তায় ফেলে যেতে বাধ্য হয় তারা। পরদিন ভোরবেলায় গ্রামবাসী রাস্তায় একটি গরু দেখতে পেয়ে তা উদ্ধার করেন। তবে বাকি দুটি গরুর এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি। আকস্মিক এ চুরির ঘটনায় সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে জাহিদুল ইসলাম ও তার পরিবার।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও মাদকের সেবন ও বিক্রি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে গরু চুরির হিড়িক পড়লেও তা রোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। এসব অপরাধ কর্মকাণ্ড বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে চোর চক্র একের পর এক খামারে হানা দিচ্ছে।

এমতাবস্থায় কৃষক ও খামারিদের নিজ নিজ উদ্যোগে সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। গবাদি পশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথাসম্ভব নিজেদের গরু নিজেদেরই পাহারা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

দ্রুত সময়ের মধ্যে চুরি যাওয়া বাকি গরুগুলো উদ্ধারসহ এই বেপরোয়া চোর চক্র ও মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় এনে এলাকায় শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী জাহিদুল ইসলাম ও এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর