নকলায় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু
মিজানুর রহমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:শেরপুরের নকলা উপজেলায় মরহুম জাহেদ আলী চৌধুরী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ৬ নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের পাঠাকাটা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন নকলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ৬ নং পাঠাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু।
স্থানীয় পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার, তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করা এবং যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন সংশ্লিষ্টরা। মরহুম জাহেদ আলী চৌধুরীর স্মৃতিকে অম্লান রাখা এবং এলাকার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও প্রাণবন্ত করার প্রত্যাশা নিয়ে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ ছিলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু। তিনি নকলা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক ও ক্রীড়ামূলক আয়োজনে সম্পৃক্ত রয়েছেন। পাঠাকাটা ইউনিয়নের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ ও তরুণদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ফুটবল টুর্নামেন্ট স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নকলা উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, পাঠাকাটা ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শামীম কবিরাজসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ক্রীড়াপ্রেমীরা।
টুর্নামেন্টে রেফারির দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং কোটেরচর জোনাব আলী চৌধুরী দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক তৌফিকুল আরিফ।
স্থানীয়দের মতে, ফুটবলসহ বিভিন্ন ক্রীড়ামূলক আয়োজন তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি মাদকাসক্তি, অপরাধপ্রবণতা ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এ ধরনের টুর্নামেন্ট নিয়মিত আয়োজন করা হলে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন খেলোয়াড় তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যও বৃদ্ধি পাবে।
মরহুম জাহেদ আলী চৌধুরীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত এ ফুটবল টুর্নামেন্টকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আয়োজকদের এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে পাঠাকাটা ইউনিয়নের তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।