অতিমাত্রার ঢিলেঢালায় দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা যেন মুখ থুবড়েই পড়ে থাকলো। এক মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেল অথচ পুলিশ কোমড় তুলে দাঁড়াতেই পারছে না। দাঁড়ানোর সুযোগ দেখাও যাচ্ছে না। সকল পর্যায়ে আরো খবর..
দেশের মিডিয়া সেক্টরে দালালি, প্রতিরোধ, পাল্টা দালালি আর পা চাটা গোলামদের নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে। সেই ফাঁকে শিক্ষার্থীরা এবার সাংবাদিকতাকেও সংস্কার করতে চায়! তারা চোখ রাঙানি, হুমকি ধমকি দিয়ে সাংবাদিকদের
মাঝে মাঝে কিছু সফল কাজের জন্য আলাদা রকমের সুখবোধ হয়, নিজেই নিজেকে ধন্যবাদ জানাই। ক্যাসিনো কাণ্ড, মেজর সিনহা হত্যা, বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুম, সাগর রুনি খুন রহস্য, দেশের
পাপীদের শাস্তির পরই বাংলাদেশ হয়ে উঠুক সবার জন্য ভালোবাসার। লুটেরাদের আয়েশ কেড়ে নিন, অধিকার হরণকারীরা স্বাধীনতার স্বাদ পরে পেলেও চলবে। কারণ, জেলবন্দী, নজরবন্দি, লুটেরা- অপরাধীদের সব স্বাধীনতা দিলে রাষ্ট্রের জন্য
আমি সব দেখে শুনে বুঝেই বলছি- দেশে সাংবাদিকতার ছিটেফোটাও আর অবশিষ্ট থাকছে না। সাংবাদিকতার নামে কেবল দালালি আর ভুয়াবাজি চলছে। চলছে সরকারি ও বিরোধী দলের ঘনিষ্ঠ থেকে ঘনিষ্ঠতর দালাল হওয়ার
আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ এসে উচ্ছসিত ছিলাম। বিশাল বিশাল আম বাগানে ঘুরছি ফিরছি, নানা জাতের সুমিষ্ট আম খাচ্ছি। আমের ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ উপভোগ করার মজাই আলাদা। এর মধ্যেই যে আম চাষী
মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন লাকীর বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার মানহানী মামলার ঘোষণা দিতেই মুখ খুলেলেন তিনি, তড়িঘড়ি নিজের বক্তব্য দেয়ার কথাও অস্বীকার করলেন। এরপর থেকেই ‘সাংবাদিক বিরোধী অপপ্রচারকারীরা’ ভিডিও ক্লিপ
ছাগল কাণ্ডে ধরাশায়ী, লুটেরা এনবিআর কর্মকর্তা মতিউরের প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকীর দম্ভোক্তিকে আমরা চোখ বুজে ‘বেদবাক্য‘ বলেই মেনে নিয়েছি। কোনো যুক্তি, কারণ ছাড়া- বিনা প্রশ্নেই বিশ্বাস করে নিচ্ছি যে,