শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৫:১৮ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবু সায়েম   এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারে মতবিনিময় সভা ও আহ্বায়ক ক‌মি‌টি গঠন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা পরিদর্শনে সিলেট-২ এর সাংসদ তাহসিনা রুশদীর লুনা সরকারের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে : এমপি লুনা তাহিরপুরে ৪২ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা, মোটরসাইকেলসহ ১জন আটক। জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু  ১৪ দফা দাবিতে গাজীপুরে বিএমএসএফের র‍্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে মাইজভান্ডারি গবেষক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খাঁন আজহারীর ইন্তেকাল চরবাড়ুকা, বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন

বাকেরগঞ্জ বউভাতের দাওয়াতে আনা উপহার সবাইকে নিতে হলো ফেরত।

রিপোর্টারের নাম / ২৭২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৫

এম এইচ কামাল: প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, বিয়ে বা বউভাতের দাওয়াতে উপহার দিতে হয়। এ ক্ষেত্রে কেউ উপসারসামগ্রী আবার কেউ নগদ টাকা দিয়ে থাকেন। এসব উপহার নেওয়ার জন্য চেয়ার-টেবিল নিয়ে কাউকে বসে থাকতে দেখা যায় অনুষ্ঠানস্থলে। তবে ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে বরিশালে বাকেরগঞ্জ পাদ্রি শিবপুর নিউমার্কেট একটি বউভাতের অনুষ্ঠানে। একে অমানবিক সামাজিক রীতি আখ্যা দিয়ে তা বর্জনে অতিথিদের নিয়ে আসা উপহার ফেরত দেওয়া হয়েছে।

আজ শনিবার বিকেলে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৩ নং পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের নিউ মার্কেট আড়াইবেকী গ্রামের মজিদ সার্ভেয়ার ছেলে তরিকুল ইসলাম তায়েফ বিয়ের বউভাত অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

পরিবার ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত গত শুক্রবার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণ কাটি গ্রামের শফিকুল ইসলাম বাচ্চু আকনের মেয়ে ইসরাত জাহান লুলা সঙ্গে তরিকুল ইসলাম তায়েফের বিয়ে হয় আজ শুক্রবার বরের বাড়িতে বউভাত অনুষ্ঠানে তিন শতাধিক মানুষকে দাওয়াত দেওয়া হয়। তবে অতিথিদের আনা উপহার নেওয়ার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এতে খাবার খাওয়ার পর বাধ্য হয়ে উপহার ফেরত নিয়ে গেছেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

দাওয়াত খাওয়া হাকিম মো. রয়েল বলেন, ‘বিয়ের দাওয়াতে গেলে তো আর খালি হাতে যাওয়া যায় না। হয়তো কোনো উপহার বা নগদ টাকা দেই। এই বউভাতের অনুষ্ঠানেও তেমন প্রস্তুতি নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু উপহার দেওয়ার মতো জায়গা বা কোনো মানুষ না পেয়ে অবাক হয়েছি। পরে বরের বাবাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি উপহার নেওয়া হচ্ছে না বলে জানান।’

বরের বড় ভাই সরোয়ার হাওলাদার বলেন, ‘প্রতিটি বিয়ে বাড়িতে উপহারসামগ্রী ও অর্থ সংগ্রহে একটি টেবিল বসানো হয়। এতে আমন্ত্রিত অতিথিরা সামাজিক অবস্থানের কথা চিন্তা করে বাধ্য হয়ে উপহারসামগ্রী বা টাকা দেন। সামাজিকতা রক্ষার স্বার্থে যা অনেক সময় তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এই অমানবিক সামাজিক রীতি বর্জন করতেই আমার ছোট ভাইয়ের বউভাতে কোনো উপহার নেওয়া হয়নি। আমরা শুধু নব-দম্পতির জন্য দোয়া চাই।’

বরের বাবা মজিদ হাওলাদার সার্ভেয়ার বলেন, ‘দাওয়াত করে মানুষকে খাওয়াতে এনে যদি চেয়ার-টেবিল বসিয়ে উপহার নেওয়ার নামে লজ্জা দেই, তবে এটা হোটেল ব্যবসা ছাড়া আর কিছু না। টাকা দিয়েই যদি খেতে হয়, তবে মানুষ হোটেলে গিয়েই খেতে পারে। আমন্ত্রিত অতিথিদের আমি আমার সাধ্যমতো আপ্যায়নের চেষ্টা করেছি। বিনিময়ে কারও কাছ থেকে উপহার নেওয়া হয়নি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর