শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
রাউজানের হলদিয়ায় শতাধিক বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে  উপহার বিতরণ মাস্টার নজির আহমদ ট্রাস্টের ত্রাণ পেল ৩ হাজার পরিবার সৌদিআরবে প্রবাসী বাংলাদেশীদের অপহরণ, ছিনতাই ও নারী কর্মীদের অশালীনতা নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত; ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে ছাতকের জাউয়া গ্রামের মুখ উজ্জ্বল করলেন আবু হামজা ৪৫তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে দেশসেরা সপ্তম: খুলনার কৃতী সন্তান ইফতিয়ার হোসেন শাওনের অনন্য সাফল্য ‘প্রতিশ্রুতি নয়, কাজের মাধ্যমেই মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই’ — চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সুমন খান। সমাজসেবক আলহাজ্ব আব্দুল গনি শেখের ওপর মব সৃষ্টির ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ ঢাকা প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের ভিতরে পানি ও ফুটো টিনের নিচেই দায়িত্ব পালন, দুর্ভোগে সাধনপুর পোড়াবাড়ি পুলিশ ক্যাম্প মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় পরিষদের ৩১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

নাটোরে স্কুল শিক্ষার্থী অপহরণ, গণধর্ষণ ও হত্যার দায়ে তিন যুবকের যাবজ্জীবন

নাটোর প্রতিনিধি / ১৫৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

নাটোর শহরের বনবেলঘড়িয়া এলাকার ষষ্ট শ্রেনীর এক স্কুল শিক্ষার্থীকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও হত্যার পর মরদেহ গুম করার দায়ে তিন যুববকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নাটোর শহরের বনবেলঘড়িয়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে সেলিম হোসেন, আলতাফ হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম শরিফ ও আরশেদ আলীর ছেলে মনির হোসেন।

আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মামলার জানান, এলাকার বখাটে বলে পরিচিত যুবক সেলিম হোসেন ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যায়তরত এক স্কুল শিক্ষার্থীকে প্রতিনিয়ত স্কুলে যাওয়া আসা সহ রাস্তা ঘাটে বিরক্ত করতো এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত। তাতে রাজী না হলে ২০১৬ সালের ২৯ মে সন্ধ্যায় ওই শিশু শিক্ষার্থী জরুরী কাজে বাড়ী থেকে বের হলে সেলিম হোসেন ও তার সহযোগিরা শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে ঐ শিক্ষার্থীর পরিবার থেকে সেলিম হোসেন সহ অন্যান্যদের পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা কোন সহযোগিতা না করে হুমকি ধামকি দেয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে ৪ জনের নাম সহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে। পরে গ্রেফতারকৃতরা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

পরবর্র্তীতে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারসহ পুলিশ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। দীর্ঘ ৮ বছর মামলার স্বাক্ষ্য প্রমান গ্রহন শেষে অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করেন আদালতের বিচারক। এ সময় দন্ডপ্রাপ্তদের সকলকে ৬০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। সময় অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করেন আদালতের বিচারক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর