শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
তাহিরপুর বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবু সায়েম   এসপি মাহবুব আলম খানকে নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজারে মতবিনিময় সভা ও আহ্বায়ক ক‌মি‌টি গঠন টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের জায়গা পরিদর্শনে সিলেট-২ এর সাংসদ তাহসিনা রুশদীর লুনা সরকারের দেওয়া উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হবে : এমপি লুনা তাহিরপুরে ৪২ পিস ইয়াবা,নগদ টাকা, মোটরসাইকেলসহ ১জন আটক। জগন্নাথপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় মহিউদ্দিন বাবলু  ১৪ দফা দাবিতে গাজীপুরে বিএমএসএফের র‍্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে মাইজভান্ডারি গবেষক আল্লামা গোলাম মোস্তফা শায়েস্তা খাঁন আজহারীর ইন্তেকাল চরবাড়ুকা, বাঘেচরা হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মানববন্ধন

নাটোরে স্কুল শিক্ষার্থী অপহরণ, গণধর্ষণ ও হত্যার দায়ে তিন যুবকের যাবজ্জীবন

নাটোর প্রতিনিধি / ১৪৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

নাটোর শহরের বনবেলঘড়িয়া এলাকার ষষ্ট শ্রেনীর এক স্কুল শিক্ষার্থীকে অপহরণ, গণধর্ষণ ও হত্যার পর মরদেহ গুম করার দায়ে তিন যুববকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নাটোর শহরের বনবেলঘড়িয়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে সেলিম হোসেন, আলতাফ হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম শরিফ ও আরশেদ আলীর ছেলে মনির হোসেন।

আদালতের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মামলার জানান, এলাকার বখাটে বলে পরিচিত যুবক সেলিম হোসেন ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যায়তরত এক স্কুল শিক্ষার্থীকে প্রতিনিয়ত স্কুলে যাওয়া আসা সহ রাস্তা ঘাটে বিরক্ত করতো এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত। তাতে রাজী না হলে ২০১৬ সালের ২৯ মে সন্ধ্যায় ওই শিশু শিক্ষার্থী জরুরী কাজে বাড়ী থেকে বের হলে সেলিম হোসেন ও তার সহযোগিরা শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে ঐ শিক্ষার্থীর পরিবার থেকে সেলিম হোসেন সহ অন্যান্যদের পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা কোন সহযোগিতা না করে হুমকি ধামকি দেয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে ৪ জনের নাম সহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জনকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে। পরে গ্রেফতারকৃতরা আদালত থেকে জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

পরবর্র্তীতে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারসহ পুলিশ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। দীর্ঘ ৮ বছর মামলার স্বাক্ষ্য প্রমান গ্রহন শেষে অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করেন আদালতের বিচারক। এ সময় দন্ডপ্রাপ্তদের সকলকে ৬০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে। সময় অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করেন আদালতের বিচারক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর