শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঘোড়ার মাংস নিয়ে তোলপাড়, পুলিশের অভিযানে আলামত উদ্ধার
মিজানুর রহমান,শেরপুর জেলা প্রতিনিধি :শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঘোড়ার মাংস নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়! মাঝে মধ্যেই ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে ঘোড়ার মাংস সহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক এক দেড়টার টার দিকে উপজেলার পশ্চিম ভালুকা এলাকার ফরহাদের বাড়ির পেছনে ফুলহারি নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফুলহারি এলাকায় একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বেশ কিছুদিন যাবত খোঁজখবর রাখছিলেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কয়েকজন লোক সেখানে গিয়ে ৩ টি জবাই করা ঘোড়ার মাংস পড়ে থাকতে দেখেন। এছাড়া সেখানে আরও ৩ টি জীবিত ঘোড়া বাঁধা অবস্থায় ছিল বলে জানা গেছে। পরে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িতরা দ্রুত সটকে পড়ে।
স্থানীয়রা ব্যপারটি পুলিশকে জানালে ঝিনাইগাতী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাংসের নমুনাসহ প্রয়োজনীয় আলামত জব্দ করে।
ঝিনাইগাতী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে ঘোড়ার মাংসের আলামত পাওয়া যায় এবং নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে আমরা পৌঁছে কোনো জীবিত ঘোড়া পাইনি। আগেই জড়িতরা পালিয়ে যায়।”
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঁইয়া প্রতিনিধিকে বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং জবাই করা ঘোড়ার মাংস কোথায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল। তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।