বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
আজকের শিরোনাম
বাকেরগঞ্জ পৌরসভাস্থ বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ গ্রীন টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক আল আমিন ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান   ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী অফিসার শেরপুরের আসাদুজ্জামান রাসেল ডোমার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নূর বাদশা চৌধুরী আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী তাতিহাটি ইউনিয়নে মানবকল্যাণ ও সুশাসনের অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সেলিম মিয়া নবদিয়া অরুণ উদয় যুব সংঘের নির্বাচনে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে হাফিজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান তাতিহাতী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ সেলিম মিয়া উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অঙ্গীকার মেধাবী লুবনা জামানের গ্রীণ ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার হিসেবে যোগদান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম, অর্জন করেছেন ভিসি অ্যাওয়ার্ড ও ইউসিজি অ্যাওয়ার্ড

বন বিভাগের দৃষ্টি এড়িয়ে,অভয়ারণ্যে থাকা অবৈধ নৌকাগুলো,লোকালয়ে আসার দিন গুনছে।

সহকারী বার্তা সম্পাদক- ছাদেক আহমাদ। / ৭৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ আতিকুর গোলদার

জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি দুই মাস সুন্দরবনে কাকড়া শিকার সম্পন্ন রূপে নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। আজ একমাস ১৯ দিন গত হল।এরই মধ্যে গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ, সাতক্ষীরা রেঞ্জ অভ্যন্তরে কয়রার লুৎফর কোম্পানি,মোজাফফর কোম্পানি সহ সাধুবেশী,
সকল কোম্পানির অবৈধ কাঁকড়ার নৌকা-
সুন্দরবন তথা অভয়ারণ্য এলাকায় রয়েছে।
বন বিভাগ সহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-
সুন্দরবনের অভয়ারণ্য হতে লোকালয় উঠে আসার পথে- খালের মুখে-কলাগাছিয়া কোবাতক অভিমুখে অন্যদিকে কদমতলা স্টেশন সংলগ্ন চুনকুড়ি মীরগান এবং গোপন পথে বের হওয়া খালের মুখে নদীতে অতিরিক্ত টহল এর ব্যবস্থা করা হলে,ঘটনার সত্যতা মিলবে আশাবাদী নিরীহ জেলে বাওয়ালিরা।
বন বিভাগ তথা সম্পৃক্ত বেসরকারি সংস্থা গুলোকে সুন্দরবন সুরক্ষায় সতর্ক নজরদারি বজায় রাখার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।এতটুকু বলি,লুৎফর কোম্পানির নিজের মুখের স্বীকারোক্তি ৬০ থেকে ৭০ টি নৌকা সুন্দরবনে ব্যবসা করে।বর্তমানে প্রায় ৩০ টির মত নৌকা সুন্দরবন অভ্যন্তরে রয়েছে।লোকালয়ে ফেরার দিন গুনছে।কঠোর টহল ব্যবস্থা ও সতর্ক নজরদারি বজায় রাখলে,কোম্পানিদের কাছে জিম্মি হওয়া অভয়ারণ্যে থাকা অবৈধ নৌকা গুলো আটক করা সম্ভব হবে ধারণা করছেন উপকূলীয় জনগোষ্ঠী। শ্যামনগর কয়রা সহ কয়েকটি উপজেলার লক্ষাধিক জেলে বাওয়ালি সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। তারা সহজ সরল।নিয়ম মেনে ইনকাম করতে চায় কিন্তু কোম্পানি নামধারী লেবাসধারী কিছু সন্ন্যাসী তাদেরকে জিম্মি করে অভয়ারণ্যে নিষিদ্ধ কালীন সময়ে কাঁকড়া শিকারে পাঠায়। অভয়ারণ্য অর্থাৎ সংরক্ষিত এলাকা।যেখানে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।সেখানে শুধু কাঁকড়া শিকার হয় না,ভাসাজাল গয়শা জাল,চরপাটা,ভাসাজাল সহ বিভিন্ন উপায়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মৎস্য নিধন করে চলেছে কোম্পানি নামধারী মহাজনগুলো। অসহায় জেলেরা খুব বেশি লাভবান হতে পারে না। সাতক্ষীরা রেঞ্জ হতে কোম্পানি দূর হোক।জেলে বাওয়ালিরা নিজেরা অফিসে গিয়ে,রাজস্ব দিয়ে-নিয়ম মেনে নদীতে সুন্দরবনে আয় রোজগার করলে ভালো হয়, ধারণা জেলা বাসির।ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সদয় বিবেচনার নিমিত্তে প্রকাশ করা হলো। সুন্দরবনের গভীর থেকে ছবিটি ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর