শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ডেঙ্গুমুক্ত শ্রীবরদী গড়তে সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান কাংশা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী আলমগীর আকাশ সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শারদীয় দুর্গোৎসবে শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু বিগত ইন্টেরিম সরকার দেড় বছরে দেশের অনেক ক্ষতি করে গেছে: বিমান মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি। জমি দখলের অভিযোগ নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছন সেভেন রিংস সিমেন্টের উপদেষ্টা – এরশাদ আলী আজাদ। টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোজাম্মেল হক  টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোহাম্মদ হোসাইন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে মাঠে জামালপুর ৩৫ বিজিবির ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, মন্ডপ পরিদর্শন! জামালপুরের বকশীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটির বর্ণাঢ্য জাতীয় সম্মেলন: নেতৃত্বে মকিস মনসুর ও আশরাফ মিয়া

রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির চিঠি পেলেন দেশের প্রথম ‘যুদ্ধশিশু’ মেরিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৪৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪


দেশের প্রথম ‘যুদ্ধশিশু’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির চিঠি পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার মেরিনা খাতুন। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) থেকে এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি তাকে জানানো হয়। রবিবার সকালে উপজেলা পোস্ট মাস্টার আইয়ুব আলীর কাছে থেকে চিঠিটি গ্রহণ করেছেন মেরিনা খাতুন।


জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৮৯তম সভায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশের মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনা পচি বেওয়ার মেয়ে মেরিনা খাতুনকে যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)’র উপপরিচালক (উন্নয়ন) প্রথম রঞ্জন ঘটল গত ৭ জুলাই স্বাক্ষরিত পত্র প্রদানের মাধ্যমে মেরিনা খাতুনকে অবহিত করা হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক কামান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আরশেদুল ইসলাম জানান, দেশের প্রথম যুদ্ধশিশু হিসেবে মেরিনা খাতুন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের পক্ষে থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ সময় তিনি মেরিনাকে যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মানি ভাতা দেওয়ার দাবী জানান।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাড়াশের মৃত ফাজিল আকন্দের বিধবা স্ত্রী পচি বেওয়াকে স্থানীয় কয়েকজন রাজাকার হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দেন। আর সেখানে হানাদার বাহিনীর সেনাদের কাছে পাশবিক নির্যাতন শিকার হন তিনি। এতে করে তিনি সন্তান সম্ভাবা হয়ে পড়েন এবং পরে যুদ্ধশিশু মেরিনা খাতুনের জন্ম হয়।

পরে ২০২২ সালে ৮ সেপ্টেম্বর বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত পচি বেওয়ার মেয়ে মেরিনা খাতুন সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন পাঠান। আবেদনে মেরিনা খাতুন উল্লেখ করেন, তার মা পচি বেওয়াকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয়ভাবে ২০১৮ সালের ৪ জুলাই বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। যার মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নম্বর ২০৫। এরই প্রেক্ষি তিনি যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান।




আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর