বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
চরশেরপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম স্বর্ণ সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শ্রীবরদীতে নবাগত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা বাকেরগঞ্জ পৌরসভাস্থ বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান নজরুল বর্ষে শিশু-কিশোরদের জন্য তুলতুলের ‘ছোটদের নজরুল’ গ্রীন টিভির সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হলেন সাংবাদিক আল আমিন ডিআইজির হাত থেকে সেরা চোরাচালান উদ্ধারকারী অফিসারের ক্রেস্ট নিলেন মাহমুদুল হাসান   ময়মনসিংহ রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী অফিসার শেরপুরের আসাদুজ্জামান রাসেল ডোমার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে নূর বাদশা চৌধুরী আপনাদের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী তাতিহাটি ইউনিয়নে মানবকল্যাণ ও সুশাসনের অঙ্গীকার নিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সেলিম মিয়া নবদিয়া অরুণ উদয় যুব সংঘের নির্বাচনে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে হাফিজুল ইসলাম টেলিভিশন প্রতীকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান

নিজ স্বার্থ হাসিলে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের প্রশাসক বানাতে মরিয়া ইউএনও

রিপোর্টারের নাম / ২৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি: বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে কোন প্রকার লিখিত পত্র ব্যতিরেকেই চেয়ারম্যানদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র পাল।
কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোন জনবল নিয়োগ না হওয়ায় এগারোটি ইউনিয়নের সকল প্রকার নাগরিক সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। এরফলে জন্ম সনদ, নাগরিক সনদ, মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ সহ সকল সেবা থেকে ইউনিয়নবাসি বঞ্চিত রয়েছে।

চরাদি, কবাই, গারুড়িয়া, ভরপাশা, রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সাথে কথা হলে তারা জানায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র পাল ইউনিয়নের সচিবদের ডেকে মৌখিকভাবে আদেশ দেন, চেয়ারম্যানরা যেন সকল কার্যক্রম থেকে সরে থাকে। এরই প্রেক্ষিতে সচিবরা লিখিত আদেশ চাইলে ইউএনও কোন প্রকার লিখিত আদেশ দেয়নি।
সচিবরা জানায়, গত মঙ্গলবার ইউএনও মিল্টন চন্দ্র পাল তাদেরকে মৌখিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যদের সকল কার্যক্রম থেকে সরে থাকতে বলেছেন। সচিবরা লিখিত আদেশ চাইলে ইউএনও লিখিত আদেশ না দিয়ে উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের জন্য বলেন। কলসকাঠি ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মনিরুল ইসলাম নাগরিক সেবার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, পেছনের তারিখ উল্লেখ করে সকল কাগজ স্বাক্ষর দিয়ে দিবেন।

নাগরিক সেবা সহ সকল কার্যক্রম থেকে সদস্যদের সরিয়ে রাখার কারনে বিপাকে পরেছেন সচিবরা। একই সাথে সেবা নিতে আসা নাগরিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

এবিষয়ে সচেতন নাগরিকরা বলেন, যতোদিন কোন প্রকার প্রজ্ঞাপন বা লিখিত আদেশ না আসবে ততোদিন চলমান সেবা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যরা দিয়ে থাকেন। বিগত বছরগুলোতে এমন ভাবেই পরিষদের কার্যক্রম চলে আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, দেশের মেয়াদ উত্তির্ন অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যরা সেবা দিয়ে আসছেন।

অনেকেরই মন্তব্য কোন ক্ষমতার বলে কোন প্রকার প্রজ্ঞাপন ছাড়াই উপজেলা ব্যাপি মৌখিক আদেশের বলে সকল সেবা বন্ধ করে দিয়েছে ইউএনও মিল্টন চন্দ্র পাল। নাকি এর পিছনে পরিষদের সদস্যদের সরিয়ে বরাদ্দ লুটপাটের নীল নকশা আকছেন।

এইসব বিষয়ে জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র পালের সরকারি মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার কল করলে তিনি কল রিসিভ না করে কোটে দেন।

নাগরিকরা সেবা চলমান রাখার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইউনিয়নের সকল নাগরিক।

উল্লখ্য বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি, দাড়িয়াল, দুধল, ফরিদপুর, কবাই, নলুয়া, গারুড়িয়া, ভরপাশা, রঙ্গশ্রী ও পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের মেয়াদ ১৫ জুলাই এবং কলসকাঠী ইউনিয়নের মেয়াদ ২৮ জুলাই শেষ হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর