শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
আজকের শিরোনাম
ডেঙ্গুমুক্ত শ্রীবরদী গড়তে সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান কাংশা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী আলমগীর আকাশ সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী শারদীয় দুর্গোৎসবে শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসেন মিন্টু বিগত ইন্টেরিম সরকার দেড় বছরে দেশের অনেক ক্ষতি করে গেছে: বিমান মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি। জমি দখলের অভিযোগ নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছন সেভেন রিংস সিমেন্টের উপদেষ্টা – এরশাদ আলী আজাদ। টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোজাম্মেল হক  টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোহাম্মদ হোসাইন শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে মাঠে জামালপুর ৩৫ বিজিবির ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, মন্ডপ পরিদর্শন! জামালপুরের বকশীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। লন্ডনে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটির বর্ণাঢ্য জাতীয় সম্মেলন: নেতৃত্বে মকিস মনসুর ও আশরাফ মিয়া

কুমিল্লায় আশ্রয়কেন্দ্রে শিশু খাদ্যের সংকট

অনলাইন ডেস্ক: / ২৭৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪

কুমিল্লায় বন্যায় ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন বহু মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে নানা খাদ্য সহায়তা এলেও সংকটে রয়েছে শিশুরা। শুকনো বিস্কিট আর কলাই একমাত্র ভরসা তাদের। সরেজমিনে জেলার বুড়িচং, লাকসাম, চৌদ্দগ্রাম, মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র।

বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অন্তত ২০ জন মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিভিন্ন সংস্থা থেকে পাওয়া ত্রাণের শুকনো বিস্কিট ও কলা শিশুদের খাওয়ানো যাচ্ছে না। এদের কান্নায় আশ্রয়কেন্দ্রের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। বিশেষ করে এক থেকে তিন বছরের শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা রয়েছেন বিপদে। বিত্তবানদের কাছে তাদের আকুতি, শিশুদের কথা বিবেচনায় সামান্য হলেও যেন শিশু খাবার সরবরাহ করা হয়।
ফকিরবাজার উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ রয়েছে। ১০-১৫টি শিশু রয়েছে। যাদের বয়স ৫ বছরের নিচে। গত ২/৩ দিন ধরে কেউ শুকনা খাবার মুখে নিচ্ছে না।
ভরাসার উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে সালমা আক্তার বলেন, ১৬ মাসের ছেলে তমালকে নিয়ে কষ্টে আছি। তার কান্না আর সইতে পারছি না। সে বুকের দুধ একেবারেই মুখে নিতে চাচ্ছে না। সরকার ও মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি শিশুখাদ্য প্রদানের আহ্বান জানান তিনি।
আজ্ঞাপুর বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রের কাজল আক্তার বলেন, তমা নামের দুই বছরের মেয়ে রয়েছে তার। বিস্কিট, পাউরুটি, কলা মুখেই নিচ্ছে না সে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবেদ আলী বলেন, কুমিল্লায় সরকারিভাবে মোট ৭১৪টি কেন্দ্রে ১৫ হাজার ৫৯ জন বিভিন্ন বয়সের শিশু আশ্রয় নিয়েছে। এসব শিশুদের মধ্যে যাদের বয়স ৩ বছরের ওপরে তাদের শুকনো বিস্কিট ও কলা খাইয়ে কোনো রকম দিন পার করা গেলেও, যাদের বয়স এক থেকে তিন বছরের মধ্যে সেসব শিশুদের নিয়ে বিপদে আছেন তাদের অভিভাবকরা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, শিশু খাদ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট সকলকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চেষ্টা করছি শিশু খাদ্য সরবরাহের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর